Academy

দানাদার খাদ্য উৎপাদনসহ সকল ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে জাতিকে খাদ্যে স্বনির্ভর করে তোলা এবং সবার জন্য একটি নির্ভরযোগ্য খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা করার জন্য বাংলাদেশ সরকার কতকগুলো বাস্তব আদর্শ গ্রহণ করে। এ আদর্শটির কতকগুলো সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারিত ছিল। এ বাস্তব আদর্শের মধ্যে এটি কেন গ্রহণ করা হয়েছে, কাদের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে এবং কীভাবে বাস্তবায়িত হবে তা বিস্তারিতভাবে বর্ণিত ছিল।

উদ্দীপকে গৃহীত 'বাস্তব আদর্শ' বলতে কোনটিকে বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। (প্রয়োগ)

Created: 11 months ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago
Ans :

উদ্দীপকে গৃহীত বাস্তব আদর্শ বলতে সামাজিক নীতিকে বোঝানো হয়েছে।

সামাজিক নীতি সামাজিক সমস্যা নিরসনের ক্ষেত্রে আদর্শ হিসেবে। বিবেচিত হয়। সামাজিক নীতি মানবীয় প্রয়োজন ও সামাজিক সমস্যা সমাধানে সমাজের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সচেষ্ট থাকে। এ নীতিতে সমাজের প্রতিটি জনগণের কল্যাণের বিষয়টি সর্বাগ্রে। বিবেচনা করা যায়। তাই সামাজিক নীতি সমাজসেবামূলক কর্মকান্ডের ক্ষেত্র তৈরি করে ও মানুষের প্রতিভার সুষ্ঠু বিকাশে সহায়তা করে।

উদ্দীপকে প্রদত্ত বর্ণনা থেকে দেখা যায়, বাংলাদেশ সরকার জাতিকে খাদ্যে স্বনির্ভর করে তোলা এবং সবার জন্যে একটি নির্ভরযোগ্য খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করার জন্যে কতকগুলো বাস্তব আদর্শ গ্রহণ করে। বাস্তব আদর্শগুলোর কতকগুলো সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারিত ছিল। এ বাস্তব আদর্শটি কেন গ্রহণ করা হয়েছে এবং কীভাবে বাস্তবায়িত হবে তা বিস্তারিতভাবে বর্ণিত ছিল। প্রাপ্ত বাস্তব আদর্শটির বৈশিষ্ট্যগুলোকে পাঠ্যবইয়ে প্রদত্ত তথ্যের সাথে মিলিয়ে বলা যায় যে বাস্তব আদর্শটি হলো সামাজিক নীতি।

11 months ago

সামাজিক নীতি ও পরিকল্পনা এবং সমাজকর্ম

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

2 জনসংখ্যা নীতি বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবন)

Created: 11 months ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago

জনসংখ্যা সংক্রান্ত বিভিন্ন পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত সরকারি নীতিই জনসংখ্যা নীতি।

যে কোনো দেশের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো সে দেশের জনসংখ্যা। অর্থাৎ দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সম্পদের সাথে জনসংখ্যার ভারসাম্য রক্ষা, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা আবশ্যক। সঠিকভাবে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে শিক্ষিত ও দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে গৃহীত নীতিকেই জনসংখ্যা নতি বলা হয়।

শীলার কর্মকান্ডের সাথে বিখ্যাত সমাজ সংস্কারক বেগম রোকেয়ার মিল রয়েছে।

বেগম রোকেয়া ছিলেন বাংলার নারী জাগরণের অগ্রদূত। তিনি মুসলিম নারীদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তোলার জন্য তাদের সংগঠিত করতে চেষ্টা করেন। তিনি মুসলিম নারীদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, শিক্ষার প্রসার নেতৃত্বের গুণাবলির বিকাশ এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯১৬ সালে 'আঞ্জুমানে খাওয়াতিনে ইসলাম' বা মুসলিম মহিলা সমিতি' নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। এ সংগঠনের মাধ্যমে তিনি দরিদ্র বালিকাদের শিক্ষাদান, বিধবা ও আশ্রয়হীন মহিলাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করতেন। উদ্দীপকের শীলার কর্মকাণ্ডেও এ বিষয়গুলো পরিলক্ষিত হয়।

শীলা উচ্চ শিক্ষা শেষ করে গ্রামে ফিরে যান। তিনি তার এলাকার অধিকার বঞ্চিত নারীদের সংগঠিত, শিক্ষাদান করে তাদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং অধিকার নিশ্চিত করতে একটি মহিলা সমিতি ও নারী শিক্ষাকেন্দ্র চালু করেছেন। তার এই কর্মকাণ্ড উপরে বর্ণিত বেগম রোকেয়ার কর্মকাণ্ডের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের শীলার কাজের সাথে বেগম রোকেয়ার কর্মকাণ্ডের মিল রয়েছে।

রূপপুর গ্রামের চেয়ারম্যান নারীদের উন্নয়নে সরকারের জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১ বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিয়েছেন যার কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য রয়েছে।

নারীর সার্বিক উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ সরকার জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১ প্রণয়ন করেছে। জাতীয় জীবনের সব ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠা, নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, তাদের শিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা, দারিদ্র্যের অভিশাপ থেকে রক্ষা, সুস্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করা প্রভৃতি জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ এর প্রধান উদ্দেশ্য। এর পাশাপাশি রাষ্ট্রীয়, সামাজিক ও পারিবারিক জীবন সব ক্ষেত্রে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে তাদের অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি প্রদান, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অন্যান্য কারণে ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের পুনর্বাসন, অভিভাবকহীন, বিধবা, অসহায় নারীদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা প্রভৃতির উদ্দেশ্যও এ নীতির লক্ষ হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।

উদ্দীপকের রূপপুর গ্রামের নারীরা পুরুষের সমান পরিশ্রম করেও তাদের সমান মজুরি পায় না। শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো অধিকার থেকেও তারা বঞ্চিত। নারী-পুরুষের এই বৈষম্য দূরীকরণ ও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে সরকার জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১ প্রণয়ন করেছে। আর রূপপুর গ্রামের চেয়ারম্যান তার গ্রামের নারীদের উন্নয়নের জন্য এ নীতি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, রূপপুর গ্রামের চেয়ারম্যান তার গ্রামের নারীদের উন্নয়নে সরকার প্রণীত জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১ বাস্তবায়নে কাজ করছেন। আর এ নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো নারীর সার্বিক উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা

সমাজের অবহেলিত ও পশ্চাৎপদ শ্রেণির স্বার্থ সংরক্ষণে সমাজকর্মীর গুরুত্ব অপরিসীম।

সমাজকর্ম পেশায় নিয়োজিত সমাজকর্মীরা সমাজের অবহেলিত ও পশ্চাৎপদ শ্রেণির স্বার্থ সংরক্ষণ এবং তাদের সেবায় বিশেষভাবে নিয়োজিত থাকে। অবহেলিত বঞ্চিত ও শোষিত শ্রেণির অধিকার রক্ষা এবং সর্বোপরি সমাজে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও সংরক্ষণে পেশাদার সমাজকর্মীর ভূমিকা বিশেষ গুরুত্ববহ। বিশেষ করে নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও পুনরুদ্ধারে সমাজকর্মীরা বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...